| ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানে ঋণ অনুমোদনের প্রক্রিয়া সাধারণত ধাপে ধাপে এভাবে হয়—সহজ ভাষায় নিচে দেওয়া হলো:
ক) আবেদন গ্রহণঃ
১।গ্রাহক (ঋণগ্রহীতা) প্রথমে ঋণের জন্য আবেদন করেন। এতে সাধারণত থাকে—
২।আবেদন ফরম
৩।জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
৪। ছবি
৫। ঠিকানা ও পেশার তথ্য
৬।প্রস্তাবিত ঋণের পরিমাণ ও উদ্দেশ্য
খ) প্রাথমিক যাচাইঃ ফিল্ড অফিসার গ্রাহকের—
১। বাড়ি / ব্যবসা স্থান পরিদর্শন করেন
২।আয়-ব্যয়ের অবস্থা যাচাই করেন
৩। ঋণ নেওয়ার উদ্দেশ্য বাস্তবসম্মত কিনা দেখেন
৪। পরিবারের সম্মতি আছে কিনা নিশ্চিত করেন
গ) দলভিত্তিক বা জামিন যাচাইঃ
প্রতিষ্ঠানভেদে হয়—
দলভিত্তিক ঋণ: একই দলের অন্য সদস্যরা পরস্পরের জামিনদার
ব্যক্তিগত ঋণ: ১–২ জন জামিনদার বা সামাজিক নিশ্চয়তা
ঘ) ক্রেডিট হিস্ট্রি ও পূর্বের ঋণ যাচাইঃ
১। আগে কোনো ঋণ আছে কিনা
২। অন্য NGO/ব্যাংকে ঋণ খেলাপি কিনা
৩। নিয়মিত কিস্তি পরিশোধের রেকর্ড
ঙ) ঋণ প্রস্তাব প্রস্তুতঃ
১।ফিল্ড অফিসার একটি Loan Proposal তৈরি করেন, যেখানে থাকে—
২। গ্রাহকের বিস্তারিত তথ্য
৩। প্রস্তাবিত ঋণের অংক
৪। কিস্তির ধরন ও সময়কাল
৫। ঝুঁকি মূল্যায়ন
চ) অফিস/ম্যানেজমেন্ট অনুমোদনঃ
ব্রাঞ্চ ম্যানেজার / এরিয়া ম্যানেজার অথবা ঋণ কমিটি (Loan Committee) ঋণ প্রস্তাব পর্যালোচনা করে অনুমোদন বা বাতিল করেন।
ছ) চুক্তিপত্র ও অঙ্গীকারনামাঃ ঋণ অনুমোদনের পর—
১। ঋণ চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর
২। কিস্তি, সুদ, জরিমানা বিষয়ে সম্মতি
৩। জামিনদারের স্বাক্ষর (যদি থাকে)
জ) ঋণ বিতরণঃ
১। নগদ / ব্যাংক / মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (bKash, Nagad)
২। গ্রাহককে কিস্তির সময়সূচি বুঝিয়ে দেওয়া হয়
ঝ) পরবর্তী তদারকিঃ
১। নিয়মিত কিস্তি সংগ্রহ
২। ব্যবসা মনিটরিং
৩। সমস্যা হলে পুনঃতফসিল বা পরামর্শ |