| বকেয়া প্রতিরোধের উপায় গুলো নিম্নে উপস্থাপন করা হলঃ
১। স্থায়ী ও সম্ভাবনাময় সদস্য জরিপ করে ঋণ বিতরণ করা।
২। ঋণের প্রতিটি দফায় ১০০% যাচাই ও সঠিক জিম্মাদারের সাথে আলোচনা করে ঋণ দেয়া।
৩। পরিবারে একাধিক সদস্যদের ঋণ না দেয়া।
৪। অন্য কাহারও সুপারিশে/চাপে ঋণ না দেয়া।
৫। ব্যবসায়ে নিজস্ব বিনিয়োগ (Own Working Capital) এবং Cash Flow এর বিষয়টিকে গুরুত্বারোপপূর্বক ঋণ দেয়া।
৬। Overlapping এর ক্ষেত্রে অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন এবং সক্ষমতা বিশেষভাবে যাচাই পূর্বক ঋণ দেয়া।
৭। দফা বিবেচনা না করে সামর্থ্য বিবেচনায় ঋণের সিলিং নির্ধারণ করা।
৮। অধিক দূরত্বের সদস্যকে ঋণ না দেয়া। দুরবর্তি সদস্যদের জন্য বুথ বা শাখা খোলার ব্যবস্থা নেয়া।
৯। সামর্থ্যবান ও সুনামধারী ব্যক্তিকে সদস্য ও জিম্মাদার হিসেবে নির্বাচন করা।
১০। অস্থায়ী ও ভাসমান সদস্যদেরকে ঋণ না দেয়া।
১১। অবৈধ আয় বন্ধন খাতে ও শুধুমাত্র মৌসুমী ঋণ না দেয়া।
১২। সংস্থার নিয়ম-বিধি সদস্যকে অবহিত করে কার্যক্রমে অন্তর্ভূক্ত করা।
১৩। সঞ্চয় খেলাপী, কিস্তি খেলাপী এবং আংশিক কিস্তি প্রদানকারীকে ঋণ না দেয়া।
১৪। প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্ব ইতিহাস ও Track Records বিশ্লেষণ করে ঋণ দেয়া।
১৫। পরিবারের সকল সদস্যর সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে ঋণ প্রদান করা।
১৬। সামাজিক মর্যাদা বিবেচনায় এনে ঋণ দেয়া।
১৭। ব্যবসায় অভিজ্ঞতা ও বিকল্প আয়ের উৎস বিবেচনা করে ঋণ দেয়া।
১৮। পূর্বের ঋণ পরিশোধের ধরণ এবং যে কোন প্রকার ঝুঁকি মোকাবেলার সক্ষমতা বিবেচনা করে ঋণ দেয়া।
১৯। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তির কাছে ঋণীয় গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করে ঋণ দেয়া।
২০। সদস্যের পারিবারিক স্থিতিশীলতা বিবেচনায় নিয়ে ঋণ দেয়া।
২১। প্রতি সপ্তাহে শাখা ভিত্তিক বকেয়া পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন বৃদ্ধি করা।
২২। IGA ভিত্তিক বকেয়া শ্রেণীকরণ করে ঋণ বিতরণ প্রবাহে পরিবর্তন আনা।
২৩। একাধিক বিবাহ রয়েছে, মামলা রয়েছে এবং দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত এমন সদস্যকে ঋণ না দেয়া।
২৪। ঋণ চাহিদা নিরূপণ ও ঋণী যাচাই বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত স্টাফদের প্রতিনিয়ত প্রশিক্ষণ ও অরিয়েন্টেশন প্রদানের মাধ্যমে কর্মীদের ঋণ আবেদন যাচাই-বাছায়ের দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
২৫। সহযোগী সংস্থার সাথে তথ্য বিনিময় করে সদস্য সম্পর্কে পুরোপুরি জেনে পরবর্তিতে ঋণ দেওয়া |